'ছায়াহরিণ' কার গ্রন্থ?
-
ক
অমিয় চক্রবর্তী
-
খ
সুকান্ত ভট্টাচার্য
-
গ
আহসান হাবীব
-
ঘ
অক্ষয় কুমার বড়াল
'ছায়াহরিণ' (১৯৬২) আহসান হাবীব রচিত কাব্যগ্রন্থ। তার কবিতার বিষয়বস্তু হিসেবে বস্তুনিষ্ঠতা ও বাস্তব জীবনবোধ প্রাধান্য পেয়েছিল। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো - রাত্রিশেষ (১৯৪৭), সারাদুপুর (১৯৬৪), আশায় বসতি (১৯৭৪), ও দুই হাতে দুই আদিম পাথর (১৯৮০)।
পঞ্চাশের দশকের অন্যতম আধুনিক কবি আহসান হাবীব। তাঁর কবিতার বিষয়বস্তু ছিল বস্তুনিষ্ঠতা ও বাস্তব জীবনবোধ। তাঁর মানুষের সংগ্রামী চেতনা ও সমকালীন যুগ-যন্ত্রণা শিল্পসম্মতভাবে কবিতায় গ্রামীণ ঐতিহ্যমণ্ডিত সামাজিক বাস্তবতা, মধ্যবিত্ত পরিস্ফুট হয়েছে। ২২ জুন, ১৯৬৭ সালে সরকার বেতার ও টেলিভিশন থেকে রবীন্দ্রসঙ্গীত প্রচার বন্ধের সিদ্ধান্ত নিলে সরকারের সে সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জ্ঞাপন করেন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার পক্ষে বিবৃতি দেন। ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৩ সালে এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে অনুষ্ঠিত এক বৃদ্ধিজীবী সমাবেশে স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন।
আহসান হাবীব ২ জানুয়ারি, ১৯১৭ সালে পিরোজপুরের শঙ্করপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
কথাসাহিত্যিক মঈনুল আহসান তাঁর সন্তান।
তিনি ১৯৬৪ সালে দৈনিক পাকিস্তান (পরবর্তীতে দৈনিক বাংলা) পত্রিকার সাহিত্যপাতার সম্পাদক হিসেবে ২১ বছর দায়িত্ব পালন করেন। সহকারী সম্পাদক: 'দৈনিক তকবীর' (১৯৩৭), 'মাসিক বুলবুল' (১৯৩৭-৩৮), 'মাসিক সওগাত' (১৯৩৯-৪৩: ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক)। দৈনিক আজাদ, মাসিক মোহাম্মদী, দৈনিক কৃষক, দৈনিক ইত্তেহাদ, সাপ্তাহিক প্রবাহ প্রভৃতি পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে কাজ করেন।
- সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নকালে ১৯৩৩ সালে স্কুল ম্যাগাজিনে তার প্রথম প্রবন্ধ 'ধর্ম' প্রকাশিত হয়।
- ১৯৩৪ সালে তাঁর প্রথম কবিতা 'মায়ের কবর পাড়ে কিশোর' পিরোজপুর সরকারি স্কুল ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬১), একুশে পদক (১৯৭৮) পান।
- তিনি ১০ জুলাই, ১৯৮৫ সালে মারা যান।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যের নাম
- 'রাত্রিশেষ' (১৯৪৭): এতে গ্রাম ও নগর উভয়কেন্দ্রিক কবিতা বিদ্যমান। তাঁর কবিতায় ব্যঙ্গের মাধ্যমে বস্তুনিষ্ঠতা ও বাস্তব জীবনবোধ ফুটে উঠেছে।
আহসান হাবীবের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থসমূহের নামঃ
'ছায়াহরিণ' (১৯৬২): এ কাব্যে ঐতিহ্য আশ্রয়ী কবি বণিক সভ্যতার রুদ্র রূপ দেখিয়েছেন। তিনি গ্রামীণ অনুষঙ্গে স্থিত হতে চেয়েছেন।
'সারা দুপুর' (১৯৬৪): এটি আহসান হাবীবের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ।
'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' (১৯৮৫): এ কাব্যের কবিতা ' সেই অস্ত্র। 'আশায় বসতি' (১৯৭৪), 'মেঘ বলে চৈত্রে যাবো (১৯৭৬), 'দু'ই হাতে দুই আদিম পাথর' (১৯৮০), 'প্রেমে কবিতা' (১৯৮১)।
| অরণ্যবহ্নি (উপন্যাস) | তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় |
| বহ্নিবলয় (উপন্যাস) | ড. নীলিমা ইব্রাহীম |
| বহ্নিবলয় (উপন্যাস) | বন্দে আলী মিয়া |
| আরণ্য নীলিমা (উপন্যাস) | আহসান হাবীব |
| বিধ্বস্ত নীলিমা (কাব্যগ্রন্থ) | শামসুর রাহমান |
| বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ (উপন্যাস) | সরদার জয়েনউদ্দিন |
তাঁর অন্যান্য রচনা সমূহের নামঃ
উপন্যাস : 'আরণ্য নীলিমা' (১৯৬২): উদীয়মান মুসলমান মধ্যবিত্ত বাঙালি সমাজের প্রতিনিধি এক তরুণ চিত্রশিল্পী তার স্ত্রীর মনোজাগতিক সংকট এ উপন্যাসের উপজীব্য।
'রানী খালের সাঁকো' (১৯৬৫), 'জাফরানী রং পায়রা'।
শিশুতোষ: 'ছোটদের পাকিস্তান' (১৯৫৪), 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' (১৯৭৭), 'ছুটির দিন দুপুরে' (১৯৭৮), 'মেলা (কবিতা), 'আমি কোনো আগন্তুক নই' (কবিতা)।
Related Question
View All'মেঘ বলে চৈত্রে যাবে' কাব্যের রচয়িতা কে?
-
ক
মহাদেব সাহা
-
খ
শামসুর রাহমান
-
গ
আহসান হাবীব
-
ঘ
জীবনানন্দ দাশ
-
ক
আহসান হাবীব
-
খ
ফররুখ আহমদ
-
গ
সৈয়দ শামসুল হক
-
ঘ
আল মাহমুদ
-
ক
আহসান হাবীব
-
খ
লুৎফর রহমান
-
গ
জসীমউদ্দীন
-
ঘ
কায়কোবাদ
-
ক
অমিয় চক্রবর্তী
-
খ
সুকান্ত ভট্রাচার্য
-
গ
আহসান হাবীব
-
ঘ
অক্ষয় কুমার বড়াল
-
ক
ব্যঙ্গাত্মক কবিতা
-
খ
কৌতুক মিশ্রিত কবিতা
-
গ
সামাজিক কবিতা
-
ঘ
স্নিগ্ধসুরের কবিতা
-
ক
আহসান হাবীব
-
খ
ফররুখ আহমদ
-
গ
শামসুর রাহমান
-
ঘ
সুকান্ত চৌধুরী
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!